রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা এনসিপি প্রার্থী আখতার হোসেন ও জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
কর্মসূচিতে বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা, সামসুজ্জামান সামু ও সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এমদাদুল হক ভরসা অভিযোগ করেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে এনসিপি প্রার্থী আখতার হোসেনকে জয়ী করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিকেল ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে প্রতিপক্ষ মব সৃষ্টি করে প্রশাসনের সহায়তায় ফলাফল প্রভাবিত করেছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাননি বলে জানান তিনি। ফলাফল পুনর্গণনার দাবি জানান বিএনপির এই প্রার্থী।
রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু বলেন, নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন শুরু হয়েছে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তা চলবে।
এর আগে শনিবার কাউনিয়া উপজেলার মীরবাগ এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এমদাদুল হক ভরসার সমর্থকরা।
বেসরকারি ফলাফলে রংপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুর রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট।
রংপুর-৪ আসনে এনসিপির আখতার হোসেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট। এ আসনে জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৬৪ ভোট
রংপুর-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নুরুল আমীন ১ লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৩