1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা হয়েছে - Pundro TV
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন



তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

 সমকাল প্রতিবেদক

 প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:১৫ | আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ১০:৩৭

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি সমীক্ষা হয়েছে। ওই সমীক্ষা প্রতিবেদনে ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিংয়ের সুপারিশ করা হয়েছে। কারিগরি দিক থেকে বিষয়টি ইতিবাচক হলে কাজ বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ হবে। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে তিনি এসব কথা বলেছেন।

গাইবান্ধা-১ আসনের সদস্য মো. মাজেদুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি সমীক্ষা সমাপ্ত করেছে। তিস্তা নদী দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভূ-প্রকৃতিগতভাবে এটি খরস্রোতা নদী। বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টিতে এ অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও নদীভাঙন ঘট

পক্ষান্তরে শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে গিয়ে অনেক স্থানে প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির সঙ্গে ব্যাপক মাত্রায় পলিপ্রবাহের কারণে তিস্তা ভরাট হয় এবং একাধিক চ্যানেলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সমীক্ষা হয়েছে। ওই সমীক্ষা প্রতিবেদনে মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং কাজ বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রম সমাপ্ত এবং কারিগরি দিক থেকে বিষয়টি ইতিবাচক হলে কাজ বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।

‘ফ্যামিলি কার্ড-কৃষি কার্ডে সহায়তা দিতে টাকা ছাপাব না’
ফ্যামিলি কার্ডধারী চার কোটি পরিবার এবং কৃষি কার্ডধারী পৌনে তিন কোটি কৃষককে অর্থ সহায়তা হিসাব-নিকাশ করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এটা বাজেটে কিংবা মূল্যস্ফীতিতে কোনো চাপ ফেলবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা টাকা ছাপিয়ে এসব দেব না। জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে বলে জানান তারেক রহমান।

ঢাকাকে ‘ক্লিন-গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে
রাজধানী ঢাকাকে ক্লিন ও গ্রিন সিটিরূপে গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ১২ দফা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং ঢাকার ওপর চাপ কমাতে কর্মসংস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ মৌলিক (বেসিক) সুবিধাগুলোকে দেশের সব অংশেই পর্যায়ক্রমিকভাবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

তারেক রহমান বলেন, ঢাকা শহরকে সবুজে আচ্ছাদিত করা, পরিবেশ দূষণ কমানো এবং নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বন অধিদপ্তর কর্তৃক ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে যৌথভাবে রাস্তার মিডিয়ান, ইউলুপ, পন্ডিং এরিয়া এবং খালের পাড়গুলোয় বৃক্ষরোপণ ও জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রিন সিটি’রূপে গড়ে তুলতে বনায়নযোগ্য খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। জলাবদ্ধতার জন্য চট্টগ্রামবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ
‎ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা নিয়ে সংসদ অধিবেশনে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সমস্যা নিরসনে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। চট্টগ্রাম-১০ আসনের সদস্য সাঈদ আল নোমান পয়েন্ট অব অর্ডারে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘অনেক বড় ওয়াটারলগ হয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবে একটু সময় লাগবে। এই কষ্টের জন্য আমি আমার অবস্থান থেকে চট্টগ্রাম শহরে বসবাসকারী সব নাগরিকের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা চেষ্টা করছি, যত দ্রুত সম্ভব এ সমস্যা থেকে মানুষকে বের করে নিয়ে আসা যায়।’
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম শহরের একটি বড় অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে এবং মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। এই সমস্যাটি শুধু চট্টগ্রামে নয়। বলা যায়, সারাদেশে আছে। ঢাকা শহরেও অনেক জায়গায় বৃষ্টিতে পানি জমে যাচ্ছে। শহর অঞ্চলে খাল, ড্রেন, নালাগুলো প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল এসব ফেলে অসচেতনভাবে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। সরকার বিভিন্ন জায়গায় খাল খনন করছে; ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে।

রীতি মেনে পেছনের আসনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী
গতকাল মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে সংসদ অধিবেশন শুরুর পর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তব্য দিচ্ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বক্তৃতার মাঝপথে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে এ সময় নিজের আসনে না বসে দুই সারি পেছনে বসেন তিনি। আইনমন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়ার পর নিজ আসনে বসেন। রীতি অনুযায়ী সংসদের কোনো সদস্য বক্তব্য দেওয়ার সময় তাঁর সামনে দিয়ে যাওয়া যায় না।
পরে প্রধানমন্ত্রীর এ বিষয়টি থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের কৃষিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে জাপানের কৃষিমন্ত্রী ও দেশটির সরকারের বিশেষ দূত সুজুকি নরিকাজুর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল। গতকাল জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই দেশের মধ্যে ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন– অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST