রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেছেন, ‘বাজার স্থিতিশীল রাখতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই গত বছরের থেকে ৪০ শতাংশ বেশি ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়েছে, যা নব নির্বাচিত সরকারকে রমজানে স্বস্তি দেবে।’
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানান, নতুন সরকারের জন্য বেকারত্ব ও রমজানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সরবরাহ পরিস্থিতি সন্তোষজনক। তার ভাষ্য, কোনো পণ্যের ঘাটতি তৈরি না হলে জনগণ স্বস্তিদায়ক রমজান কাটাতে পারবে।
বাজার স্থিতিশীল থাকায় মূল্যস্ফীতিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘কোনো পণ্যেরই কোনো প্রকার ঘাটতি দেখা যাবে না। আর যদি ঘাটতি দেখা না যায়, অর্থনীতির স্বাভাবিক সংজ্ঞায় চাহিদা মোতাবেক যদি যোগান থাকে মূল্যের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘পর্যাপ্ত পরিমাণ পণ্য মজুদ করা আছে। আমদানিকারকরা মজুদ করা পণ্য সঠিকভাবে বিতরণ করলে আশা করি কোনো পণ্যের ঘাটতি থাকবে না।’
এদিকে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জানায়, রমজান মাসে ট্রাকসেলের মাধ্যমে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ ভোক্তার কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়া হবে। তালিকায় নিয়মিত পণ্য সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রির পাশাপাশি ছোলা ও খেজুরও থাকছে। সব মিলে শুধু নির্বাচিত সরকারই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, কোনো সংকট হবে না বাজারে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে টিসিবির পণ্য ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহ করবে সরকার।
এরইমধ্যে বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। ফলে পণ্য ছাড় ও পরিবহনের বাধা নেই। মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে বাজারে ঘাটতি পড়তে দেয়া হবে না।