বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের সাথে বৈষম্য করে। তাই সম অধিকার দাবীতে রাস্তায় অবস্থান করছে বৈষম্যের শিকার শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিদ্যালয়ে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের থেকে জর্জের মেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে। শ্রেনীকক্ষে উপস্থিত না থাকলেও হাজিরা খাতায় উপস্থিত দেখানো হয়। স্কুলে তার কেক কেটে জন্মদিন পালন করা হয়। স্কুলের নিয়মানুসারে প্রতিটি ক্লাশের রোল অনুযায়ী পাঁচ জন ছাত্রী শ্রেণীকক্ষে ঝাড়ু দেবে। আজ শ্রেণীকক্ষে ঝাড়ু দেওয়া পালা ছিল জর্জের মেয়ে সহ আরো চারজনের। বাকি চারজন কাজ করলেও জর্জের মেয়ে কিছুতেই কাজ করেনি বরং সবাইকে গালাগালি করে ফেসবুকে পোস্ট করে, “আমি জর্জের মেয়ে, আমি কেন ঝাড়ু দেবো? তোরা বস্তির মেয়ে, তোরা ঘর ঝাড়ু দিবি।”
বিষয়টি যখন ছাত্রীরা শিক্ষকদের জানায়, তখন শিক্ষকরা সুষ্ঠু বিচার না করে জর্জের মেয়ে পক্ষে কথা বলে। এই নিয়ে ছাত্রীদের সাথে জর্জের বাকদন্দিতা শুরু হয়। একপর্যায়ে কিছু ছাত্রীর অভিভাবকদের স্কুলে ডাকা হয় এবং জর্জের পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে। এই বিষয়টা মেনে নিতে পারেনি সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সম অধিকার দাবীতে রাস্তায় অবস্থান নিয়েছে ছাত্রীরা।
এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন,ওই ছাত্রীর মা নিজে থেকেই ক্ষমা চেয়েছেন।