সারা বিশ্বে যখন খাদ্যসংকট চরমে, তখন খাদ্যশস্য উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে রাশিয়া।
চলতি বছরের আরও দুই মাস বাকি থাকতেই সর্বোচ্চ ফসল উৎপাদন করেছে দেশটি। অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে এ ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয়। খবর রাশিয়া টুডের।
এতে বলা হয়, অক্টোবর পর্যন্ত মোট প্রায় ১৪৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন ফসল তোলা হয়েছে, এখনো ফসল তোলা বাকি।
কৃষিমন্ত্রী দিমিত্রি পাত্রুশেভ পরে নিজেই এ রেকর্ডের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি চলতি বছর ১৫০ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য ঘরে তুলব। অবশ্য, এটি সম্পূর্ণভাবে আমাদের কৃষক ও কৃষি শিল্পগুলোর কৃতিত্ব।
এর আগে ২০১৭ সালে খাদ্য উৎপাদনের রেকর্ড করেছিল রাশিয়া। ওই বছর ১৩৫.৫ মিলিয়ন টন ফসল উৎপাদন করে দেশটি। এর মধ্যে ৮৬ মিলিয়ন টন ছিল গম।
এ বছর গম উৎপাদন ১০০ মিলিয়ন টন ছাড়িয়ে গেছে। পাত্রুশেভ জানান, নতুন যুক্ত হওয়া দোনেস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া থেকে প্রচুর ফসল উৎপাদন হয়েছে। এসব অঞ্চল থেকে অতিরিক্ত ৫ মিলিয়ন টন ফসল আসতে পারে।
বিশ্বের বৃহত্তম গম রপ্তানিকারক দেশ রাশিয়া। এর পরেই আছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র। নানা নিষেধাজ্ঞার পরও ২০২২ সালের জুন মাস থেকে ৮.৩ মিলিয়ন টন গম আন্তর্জাতিক বাজারে ছেড়েছে মস্কো। আগামি বছর ৫০ মিলিয়ন টন গম রপ্তানি করার আশা করছে দেশটি।
রাশিয়ার বেলগোরোড সীমান্তের কাছে ইউক্রেনীয় বাহিনীর গোলাবর্ষণে দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
শনিবার বেলগোরোডের মেয়র ব্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভও দাবি করেছেন, এ হামলায় ওই এলাকার হাজার হাজার বাসিন্দার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে তারা অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি বলেন, শেবেকিনোত শহরে দুপক্ষের গোলাগুলিতে প্রায় ১৫ হাজার লোকের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ লাইন মেরামত করতে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা সময় লাগবে।
শেবেকিনো হচ্ছে বেলগোরোড শহরের বাইরে একটি রাশিয়ান বসতি, যা ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।
ইউক্রেন যেন ন্যাটোর সদস্যপদ লাভের আবেদন প্রত্যাহার করে নেয়। মূলত সে জন্য দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছিল রাশিয়া। কারণ ১৯৪৯ সালে গঠিত ন্যাটোকে রাশিয়া বরাবরই পাশ্চাত্য শক্তিসমূহের আধিপত্য বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে মনে করে এবং ঐতিহাসিকভাবেই রাশিয়া পাশ্চাত্য আধিপত্যবাদবিরোধী।
https://www.facebook.com/pundrotvbd/videos/676389963707626