প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করার পরই তামিম বলেছিলেন, দলের ‘বেঞ্চ স্ট্রেংথ’ যাচাই করে দেখার উপযুক্ত সুযোগ এটি। যেহেতু এই সিরিজটি আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগের অংশ নয় এবং পয়েন্টের ব্যাপার এখানে নেই।
কোচ রাসেল ডমিঙ্গো দ্বিতীয় ম্যাচের পর বলেছিলেন, আগামী বিশ্বকাপে তাকিয়ে এসব ম্যাচে কয়েকজন ক্রিকেটার বাজিয়ে দেখতে চান তারা। তবে একদিন পরই তার ভাবনা বদলে যায়। শেষ ওয়ানডের আগে ডমিঙ্গো একরকম নিশ্চিত করে দেন, খুব বেশি পরিবর্তন দলে আসছে না।
শেষ ম্যাচে শনিবার বাংলাদেশের একাদশে পরিবর্তন দেখা যায় স্রেফ একটি। সেটিও কৌশলগত, উইকেটের ধরন বুঝে পেসার একজন কমিয়ে খেলানো হয় বাড়তি স্পিনার।
ম্যাচ শেষে গায়ানায় সংবাদ সম্মেলনে তামিমকে মনে করিয়ে দেওয়া হলো পরিবর্তন নিয়ে তার আগের কথা। বাংলাদেশ অধিনায়ক সেটা স্বীকার করেই তুলে ধরলেন ভাবনা পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট।
“এটা আমি অবশ্যই করতে চেয়েছিলাম। তবে ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যখন কথা বলেছি, তখন তারা মনে করেছে যে পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই নামা উচিত। আমরা সেটাই করেছি।”
“আজকে একটাই পরিবর্তন করার কথা ছিল, কারণ আমরা জানতাম যে একই উইকেটে খেলব। তখন একজন পেস বোলারকে কমিয়ে তাইজুলকে খেলানোর সিদ্ধান্ত হয়। আমি যে কথাটি বলেছিলাম, তা অবশ্যই আমার ইচ্ছা ছিল। তবে যেটা ম্যানেজমেন্ট বলেছে, তাতেও আমি ‘কনভিন্সড।’ দল যখন ভালো করছে, শেষটাও ভালোভাবে করা উচিত।”