1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
২০১৮ সালে প্রথম দেখারহস্য মহাকাশের নীল আলোর ঝলক - Pundro TV
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন



২০১৮ সালে প্রথম দেখারহস্য মহাকাশের নীল আলোর ঝলক

পুন্ড্র.টিভি ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

মহাকাশের গভীর থেকে আসা রহস্যময় নীল আলোর উৎস খুঁজতে বহু বছর ধরে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। প্রথমবার ২০১৮ সালে টেলিস্কোপে এই অদ্ভুত আলোর দেখা মেলে। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৪ বার এমন তীব্র নীল আলোর ঝলক দেখা গেছে। কিন্তু এগুলোর প্রকৃত উৎস এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিজ্ঞানীরা এই আলোর নাম দিয়েছেন ‘লুমিনাস ফাস্ট ব্লু অপটিক্যাল ট্রানজিয়েন্ট’ বা সংক্ষেপে ‘এলএফবিওটি’। এই আলো খুব দ্রুত জ্বলে ওঠে এবং অল্প সময়েই মিলিয়ে যায়। সাধারণ মহাজাগতিক বিস্ফোরণের চেয়ে এটি প্রায় ১০০ গুণ বেশি উজ্জ্বল হতে পারে। এ কারণেই এটি মহাকাশবিজ্ঞানের অন্যতম বড় রহস্য হিসেবে ধরা হচ্ছে।

এখন গবেষকেরা মনে করছেন, একটি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের সঙ্গে বিশেষ ধরনের উত্তপ্ত নক্ষত্রের সংঘর্ষ থেকে এই আলোর সৃষ্টি হতে পারে। হার্ভার্ড ও স্মিথসোনিয়ানের গবেষক অ্যানিয়া নুজেন্ট বলেন, এমন ঘটনা আগে কখনো দেখা যায়নি। তাই এর উৎসও অত্যন্ত বিরল ও ভয়ংকর হতে পারে।

বিজ্ঞানীরা যে গ্যালাক্সিগুলো থেকে এই আলো এসেছে, সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেছেন। তারা নক্ষত্র তৈরির হার, ভর এবং বিভিন্ন উপাদানের পরিমাণ বিশ্লেষণ করেছেন। গবেষকদের ধারণা, ‘ওলফ-রায়েট’ নামে পরিচিত বড় ও ঘন নক্ষত্রের সঙ্গে ব্ল্যাক হোলের সংঘর্ষ থেকেই এই আলো তৈরি হয়।

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ব্রায়ান মেটজার বলেন, ব্ল্যাক হোল যখন নক্ষত্রের ভেতরে ঢুকে পড়ে, তখন এটি দ্রুত নক্ষত্রের উপাদান টেনে নেয়। এতে প্রচুর শক্তি তৈরি হয়। সেই শক্তি থেকে তৈরি হওয়া জেট বা প্রবাহ আশপাশের উপাদানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে তীব্র নীল আলোর ঝলক তৈরি করতে পারে।

বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, এই নীল আলোগুলো সাধারণত গ্যালাক্সির একদম বাইরের অংশে দেখা যায়। ২০২৩ সালে নাসা ‘দ্য ফিঞ্চ’ নামে একটি নীল আলোর সন্ধান পায়, যা তার কাছের গ্যালাক্সি থেকে প্রায় ৫০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে একা জ্বলছিল। এটিই রহস্যকে আরও গভীর করেছে।

বিডিপ্রতিদিন/কেকে

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST