1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে - Pundro TV
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন



ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার রোগীর স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য নিয়ে নাগরিকদের জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। ই-হেলথ কার্ড চালু হয়ে গেলে এই কার্ডের মাধ্যমেই নাগরিকরা নিজেদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে হালনাগাদ সব তথ্য জানতে সক্ষম হবেন। একই সঙ্গে একজন রোগী গ্রাম কিংবা শহর,

যেখানেই চিকিৎসা গ্রহণ করুন না কেন, ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসকসংশ্লিষ্ট রোগীর প্রয়োজনীয় সব স্বাস্থ্যতথ্য দ্রুত জানতে পারবেন। বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে গতকাল এক বাণীতে তিনি এ কথাগুলো বলেন। বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি প্রতি বছরের মতো গতকাল বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। এবারের থ্যালাসেমিয়া দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল, ‘আর আড়াল নয় : রোগ নির্ণয়হীনদের খুঁজে বের করি, অলক্ষ্যে থাকা রোগীদের সহায়তা করি।

’প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক বলে ধারণা করা হয়। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকার ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ এই নীতি অবলম্বন করেছে। থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে এই নীতি সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

থ্যালাসেমিয়া একটি জটিল বংশগত রক্তরোগ। যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে মা-বাবা উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক হলে তাদের সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহু গুণে বৃদ্ধি পায়। তাই এ রোগ থেকে রক্ষা পেতে সময়োপযোগী পরীক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, দুজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক না হলে থ্যালাসেমিয়া রোগের বিস্তার হয় না। সুতরাং থ্যালাসেমিয়ার মতো দুরারোগ্য রক্ত রোগ প্রতিরোধে, বিশেষ করে থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহকদের মধ্যে বিয়ের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্র- সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস পালিত : থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে নানা আয়োজনে গতকাল বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতাল ও সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করেছে। এ উপলক্ষে গতকাল রাজধানীর মালিবাগ হোসাফ টাওয়ারে অবস্থিত বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতাল আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের ব্যাধি, যা বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করে চলেছে। এটি জন্মগত রক্তস্বল্পতাজনিত জটিল রোগ, যা মূলত তখনই সন্তানের মধ্যে দেখা দেয় যখন স্বামী-স্ত্রী দুজনই এই রোগের বাহক হন। তাই বিয়ের আগে ছেলে-মেয়ে উভয়ের থ্যালাসেমিয়া বাহক অবস্থা পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

আমরা অনেকেই জানি না কে থ্যালাসেমিয়ার বাহক।

এ কারণে বিয়ের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।  বিশেষজ্ঞরা বলেন, থ্যালাসেমিয়া শুধু জনস্বাস্থ্য সমস্যা নয়, বরং একটি সামাজিক উদ্বেগও বটে। এজন্য প্রতিরোধমূলক কৌশল, বিশেষ করে প্রাক-বিবাহকালীন স্ক্রিনিং প্রয়োজন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST