1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
ঈদযাত্রায় উত্তরের পথে ভোগান্তি বাড়াতে পারে যমুনা সেতু টোল প্লাজা - Pundro TV
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন



ঈদযাত্রায় উত্তরের পথে ভোগান্তি বাড়াতে পারে যমুনা সেতু টোল প্লাজা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

শুরু হয়েছে ঈদের ছুটি। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। যদিও ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের চারলেন চালু হওয়ায় সিরাজগঞ্জের ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে এবারের ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা নেই।একইসঙ্গে যমুনা সেতু পশ্চিমপাড় মহাসড়কে নির্মিত সবগুলো উড়াল সেতুর ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের সার্ভিস সড়কগুলো চালু রয়েছে। এতে বিগত সময়ে এই সড়কে তীব্র যানজট দেখা গেলেও এবার ঘরমুখী যাত্রীরা ভোগান্তিমুক্ত ভাবেই বাড়ি ফিরবেন বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন। তবে প্রত্যেকবারের মতো এবারও ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তির কারণ হতে পারে যমুনা সেতু টোল প্লাজা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন দ্রুত সরানোর জন্য আগে দুটি রেসকিউ গাড়ি রাখা হয়েছিল। এবার এই সংখ্যাটি বাড়িয়ে আরেকটি রেসকিউ গাড়ি যুক্ত করা হয়েছে। আমরা যতটা পারি সেতুতে সুন্দরভাবে যানবাহন পারাপারের বিষয়টি নিশ্চিত করবো।’

এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘এবার উত্তরের ঈদযাত্রা হবে সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক। ঈদে একসঙ্গে সবার ছুটি এবং বাড়ি যাওয়ার কারণে সড়কে একটু চাপ থাকলেও কোনও যানজট থাকবে না। এজন্য জেলা পুলিশ ও সড়ক বিভাগের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করা হয়েছে। মহাসড়কে ভোগান্তি মুক্ত রাখছে হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ১০০ জন পুলিশ সদস্য কাজ শুরু করেছে। ঈদযাত্রায় এর সংখ্যা আরও বাড়বে। এ ছাড়াও মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই যেন না হয় সেজন্যও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

সাসেক-২-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের চারলেনের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কের চারলেনই চালু রয়েছে। পাশাপাশি হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের সার্ভিস সড়কগুলো দিয়ে যানবহন চলাচল করছে। ইন্টারচেঞ্জের ঢাকা থেকে বগুড়াগামী যে সড়ক রয়েছে সেটি এখন বন্ধ রয়েছে। তবে ঈদযাত্রার আগে সেটি খুলে দেওয়া হবে।’

আমরা ইতোমধ্যে জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে দফায়-দফায় বৈঠক করেছি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মহাসড়কের পাশে ভ্রাম্যমাণ দোকান এবং সড়কে তিন চাকার যানবহন না চলাচলের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী প্রশাসন ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। ফলে এবার যানজট বা ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরবে ঘরমুখো মানুষ।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, ‘ঈদযাত্রায় সিরাজগঞ্জের মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ইতোমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। সড়কের পাশে অবৈধ ভ্রাম্যমাণ দোকাগুলো উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। মহাসড়কে যেন ফিটনেসবিহীন ও লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি না চলে সেজন্য জেলা শ্রমিক নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে। মহাসড়কের কোথাও যানবাহন দাঁড়াতে দেওয়া হবে না।’

জেলা পুলিশে এক হাজার ৬০০ পুলিশ সদস্য আছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘ ঈদ উপলক্ষে কেউ অসুস্থ না হলে আমিসহ সবাই মহাসড়কে নিয়োজিত থাকবো। কোনও যানবাহন মহাসড়কে বিকল হলে দ্রুত সরিয়ে যান চলাচল সচল করা হবে। এজন্য উদ্ধারকারী রেকার ও চেইন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে থাকবে। প্রস্তুত থাকবে উদ্ধারকারী টিমও। মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই যেন না হয় সেজন্যও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের ফোর্স কাজ শুরু করেছে। সবমিলিয়ে এ বছর উত্তরের ঈদযাত্রা হবে স্বস্তিদায়ক।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST