রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে ফরিদপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান সিদ্দিক মিঞা। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক।
জানা যায়, ফরিদপুর-৪ আসন থেকে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে কেটে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে, তার অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন সিদ্দিক মিঞা।
গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে আটক করে। পরে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মুক্তির পর সিদ্দিক মিঞা বলেন, তার মুক্তির জন্য নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ।
অন্যদিকে এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আন্দোলনের সময় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের আইনি সহায়তার মাধ্যমে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই সিদ্দিক মিঞার মুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের মুক্তির জন্যও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন ফরিদপুর-৪ আসনের দুটি ইউনিয়ন— আলগী ও হামিরদী—কেটে ফরিদপুর-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর প্রতিবাদে স্থানীয়রা কয়েক দফায় ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন চালায়। পরে উচ্চ আদালতের রায়ে ওই দুটি ইউনিয়ন আবারও ফরিদপুর-৪ আসনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই এলাকার ভোটাররা ফরিদপুর-৪ আসনেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।