1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
সমঝোতা করলে তারাই অপকর্ম ধামাচাপা দিত : আসিফ মাহমুদ - Pundro TV
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন



সমঝোতা করলে তারাই অপকর্ম ধামাচাপা দিত : আসিফ মাহমুদ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

নিজের সমঝোতা করে চলতে না পারার ‘ক্যারেক্টার’ এখন আশপাশের সবার জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। যখন কোনো বৈধ উপায়ে কাউকে দমন করা যায় না, অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ হাতে থাকে না; তখন মিডিয়া ট্রায়াল ও ন্যারেটিভ নির্মাণের পথ বেছে নেওয়া হয় বলে মনে করেন তিনি। সমঝোতা করে চললে ‘শক্তিশালী প্লেয়াররাই’ দায়িত্ব নিয়ে অপকর্ম ধামাচাপা দিতেন বলেও দাবি করেন এনসিপির এ নেতা।

শনিবার (৭ মার্চ) ভোর ৫টা ১২ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।

স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ লিখেন, ‘আমার মানিয়ে কিংবা সমঝোতা করে চলতে না পারার ক্যারেক্টারটাই নিজের এবং আশপাশে যারা থাকে সবার জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। আজ ১১ মাসের অনুসন্ধানের পর কোনো প্রমাণ না পেয়ে মোয়াজ্জেমকে নিষ্পত্তি দিয়েছে দুদক।’

অভিযোগের সুরে তিনি লিখেন, ‘অথচ এই ১১ মাসে কয়েক হাজার নিউজ, ন্যারেটিভ ছড়িয়ে তার এবং তার পরিবারের জীবন দুঃসহ করে তোলা হয়েছিল। এমনকি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা নিতে দেশের বাইরে যেতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া ও মিডিয়ার হ্যারাসমেন্টে কয়েকবার আত্মহত্যা চেষ্টার কথাও পরিবার এবং বন্ধুদের কাছ থেকে জেনেছি। সত্য আজ হোক কাল হোক সামনে আসেই। কিন্তু এখানেও মিডিয়ায় মিথ্যার মতো জোরেশোরে প্রচার পায় না।’

আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, তিনি যদি নিজের অবস্থান থেকে সরে এসে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে সমঝোতা করতেন, তবে তাকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অথচ এর কিছুই ঘটত না। – যদি আমি সরকারের সিদ্ধান্ত ও আইনি জটিলতা উপেক্ষা করে সমঝোতা করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে শপথ পড়াতাম। – যদি খুনি, ফাঁসির আসামি শেখ হাসিনাকে সেলিব্রেট করা ফ্যাসিস্ট এমপি সাকিব আল হাসানকে সাদরে দেশে নিয়ে আসতাম। – যদি তাদের কথামতো শাপলা চত্বর আর মোদিবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের স্বীকৃতি না দিতাম। – যদি বিসিবিতে অবৈধভাবে সিন্ডিকেটের (বিশাল ৭ নেতার ৭ ছেলেসহ) কমিটিকে বসাতাম। – যদি আওয়ামী লীগের নির্বাচন করার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে না দাঁড়াতাম। – যদি স্টাবলিশমেন্টের ক্ষমতার লোভকে সায় দিয়ে গণতন্ত্র ধূলিস্যাৎ হতে দিতাম। – যদি তাদের বাধা স্বত্বেও ফেলানী সড়কের নামকরণ না করতাম। – যদি কুমিল্লার মুরাদনগরে আমার জন্ম না হতো।’

‘এমন আরও কয়েকশ কারণ দেওয়া যাবে যেখানে সমঝোতা করিনি। নীতির উপর অটল থেকেছি,’ স্ট্যাটাসে দাবি করেন তিনি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ উপদেষ্টা বলেন, ‘শক্তিশালী প্লেয়ারদের সঙ্গে সমঝোতা করে ফেললেই খুব আরামে থাকা যেত। কেউ জ্বালাতন করত না, বরং তারাই দায়িত্ব নিয়ে আমি কোনো অপকর্ম করলেও তা ধামাচাপা দিত। নিত্যদিন চোথা পাঠিয়ে নিউজ করে চরিত্রহনন করত না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভালো মানুষ এসেও খারাপ হয়ে যায় ঠিক এ কারণেই। শক্তিধরদের সাথে সমঝোতা না করে, তাদের এজেন্ডায় পরিচালিত না হয়ে এখানে বেঁচে থাকাও কঠিন।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST