1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগ, নতুন উপাচার্য হতে আলোচনায় যারা - Pundro TV
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন



নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগ, নতুন উপাচার্য হতে আলোচনায় যারা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। গতকাল রোববার সকালে তিনি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আবেদনপত্র পেশ করেন। আবেদনপত্রে তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের গ্রেড-১ অধ্যাপকের মূল পদে প্রত্যাবর্তনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা, শিক্ষা, গবেষণার মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপাচার্যের মতামত জানতে চান এবং এ ক্ষেত্রে তার সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতাসহ সার্বিক বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করেন।

দেশের ক্রান্তিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য উপাচার্যকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এ সময় তিনি ফুলেল শুভেচ্ছাও জানান তাকে।

নতুন উপাচার্য হতে আলোচনায় যারা: অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগের ফলে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাবির উপাচার্য পদটি শূন্য হতে যাচ্ছে। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হবে। নতুন উপাচার্য নিয়োগ ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা-গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, এ পদে নিয়োগের জন্য ছয়জন শিক্ষক আলোচনায় রয়েছেন। তারা হলেন ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাবির বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ও সিনেট সদস্য অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, ঢাবির কলা অনুষদের ডিন ও এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। ঢাবির বর্তমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদও উপাচার্য হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তারা সবাই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ঢাবি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।

উল্লিখিত শিক্ষকদের মধ্যে প্রথম পাঁচজন বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার আমলে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সব আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। পেশাগত অধিকার আদায়ে আন্দোলন করতে গিয়ে এবং দেশ ও জনগণের পক্ষে লেখালেখির কারণে নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন। কারও কারও বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ক্লাসের পরিবর্তে কাউকে কাউকে আদালতের বারান্দায় দৌড়াতে হয়েছিল। এর মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে পত্রিকায় কলাম লেখার কারণে ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি হারিয়েছিলেন মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান। সে সময় ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন) মবের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত তাকে চাকরিতে যোগদানের আদেশ দিলেও তৎকালীন প্রশাসন যোগদান করতে দেয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরতিনি আবারও চাকরিতে যোগ দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST