1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
মধুমাসের আগমন, শেরপুরের ফলবাগানগুলোতে উৎসবের আমেজ! - Pundro TV
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন



মধুমাসের আগমন, শেরপুরের ফলবাগানগুলোতে উৎসবের আমেজ!

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

শেরপুরে শুরু হয়েছে মধু মাস। জ্যৈষ্ঠ মাসের আগমনী বার্তা নিয়ে এসেছে রসালো ফলের সম্ভার। জেলার বিভিন্ন আমবাগানে, কাঁঠাল বাগানে, এমনকি বাড়ির উঠোনেও এখন শোভা পাচ্ছে আম, জাম, কাঁঠালসহ হরেক রকমের ফল। এই মুহূর্তে কিছু ফল পেকেছে এবং বাজারে আসতে শুরু করেছে। আর ক’দিন বাদেই বাজার ভরে উঠবে মিষ্টি ও রসালো এই ফলগুলোতে।

জেলার পাঁচটি উপজেলার সবুজ প্রকৃতি এখন যেন নিজ হাতে সাজিয়েছে এক হলুদ-সবুজ রঙের উৎসব। শেরপুরের গ্রাম থেকে বাগান পর্যন্ত সর্বত্রই এখন মৌ মৌ ফলের গন্ধে ভরপুর।আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারসসহ মৌসুমী ফলের এই প্রাচুর্য কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। বিশেষ করে জেলার তিনটি গারো পাহাড়ি উপজেলা, ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ীর উর্বর মাটি এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার ফলের ফলন অত্যন্ত ভালো বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

অনেক বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলছে সুগন্ধি আম, কাঁঠাল, জাম, লিচুসহ আরও অনেক মৌসুমি ফল। হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালীসহ স্থানীয় জাতের আমগুলো পাকতে শুরু করবে আর এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই। এখনই গাছে গাছে ঝুলছে কাঁঠাল। যার মিষ্টি গন্ধে বাতাস ভরে উঠেছে। বাজারে এরই মধ্যে লিচু, লটকন এবং জাম আসা শুরু করেছে।

গোমরা গ্রামের কৃষক মো. আনোয়ার হোসেন ও আব্দুল কাদির জানান, “জ্যৈষ্ঠ মাস এলে আমাদের এলাকায় যেন এক সোনালী সময় আসে। গাছে গাছে ফলের ভারে ডাল নুয়ে পড়ে। আর সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বাগানে কাজ করতে গিয়েও মন ভরে যায়।” জেলা সদরসহ পাঁচটি উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে এখন কিছু কিছু ফলের পসরা সাজানো হচ্ছে। স্থানীয় ক্রেতারা তাজা ও সুলভ মূল্যের ফল কিনতে ভিড় করছেন। শুধু স্থানীয় বাজারেই নয়। আশেপাশের জেলাগুলোতেও শেরপুরের গারো পাহাড়ের এসব ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ফরহাদ হোসেন ইনকিলাবকে জানান, “এবার শুধু ঝিনাইগাতী উপজেলাতেই ২২ হেক্টর জমিতে লিচু ও ৩৬ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ফলের উৎপাদন আশানুরূপ হবে বলে আমরা আশা করছি। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের পোকামাকড় ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

গারো পাহাড়ি ঝিনাইগাতীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও ) মো. আল-আমিন দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, “জ্যৈষ্ঠের এই মধুমাস শুধু ফলের উৎসব নয়। এটি যেন প্রকৃতির এক উদার দান। গ্রীষ্মের তাপ উপেক্ষা করে যারা বাগানে ঘুরে ফল পাড়েন। তাদের জন্য এই মাসটি সত্যিই মধুর।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST