ভারত নিজেদের সীমান্ত সুরক্ষায় যা প্রয়োজন তা করতে পারে, তবে বাংলাদেশ সীমান্তে কোনো ধরনের বর্বরতা মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি বলেছে, পরিবর্তিত বাংলাদেশে সীমান্তে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হত্যাকাণ্ড আর সহ্য করা হবে না।মঙ্গলবার পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত বৈঠকে এসব কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এসে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে,
তাতে নিরাপত্তার চেয়ে রাজনীতির বিষয়টিই বেশি প্রতীয়মান হয়। তবে ভারত তাদের সীমান্তে কী করবে, সেটি তাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু বাংলাদেশ সীমান্তে কোনো ধরনের বর্বর আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ বলেন, একই ভাষাভাষী দুই প্রতিবেশী দেশের সীমান্ত এলাকায় নানা ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড হয়ে থাকে, যেখানে উভয় দেশের নাগরিকরাই জড়িত থাকে। এসব কর্মকাণ্ডের আর্থিক ক্ষতির দিক থেকে বাংলাদেশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সীমান্ত সুরক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। বিএসএফও যদি ইতিবাচক আচরণ করে, তাহলে সীমান্ত পরিস্থিতি আরও নিরাপদ হবে। তবে বিএসএফের অতীত আচরণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতির উন্নতি আশা করছি, তবে অবনতি হলে সতর্কবার্তাও থাকবে।
বৈঠকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।