1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
বৃষ্টির সময় নবীজি (সা.) যেসব আমল করতেন - Pundro TV
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন



বৃষ্টির সময় নবীজি (সা.) যেসব আমল করতেন

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

আকাশে মেঘ জমে বৃষ্টি বর্ষিত হওয়া আল্লাহ তাআলার অসীম রহমতের অপূর্ব নিদর্শন। বৃষ্টি যেমন মৃত জমিনকে জীবিত করে তোলে, তেমনি মানুষের অন্তরেও এনে দেয় প্রশান্তি ও সজীবতা। বৃষ্টির সময় নবীজি (সা.) বিশেষ কিছু আমল ও কাজ করতেন, যা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও শিক্ষণীয় আদর্শ।

কল্যাণ কামনা

বৃষ্টি শুরু হলে নবীজি (সা.) আল্লাহর কাছে কল্যাণ কামনা করতেন। তিনি এই দোয়াটি পড়তেন—‘আল্লাহুম্মা সাইয়্যিবান নাফিয়া।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! এটিকে উপকারী বৃষ্টি বানিয়ে দিন।’ (সহিহ বুখারি: ১০৩২)

বৃষ্টি সব সময় কল্যাণকর নাও হতে পারে। কখনো তা বন্যা, ক্ষতি বা দুর্যোগের কারণও হয়। তাই আল্লাহর কাছে উপকারী বৃষ্টির প্রার্থনা করা সুন্নত।

বৃষ্টির পানি গায়ে লাগানো

নবীজি (সা.) বৃষ্টির পানি গায়ে লাগাতেন। আনাস (রা.) বলেন, একদিন আমরা নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে ছিলাম। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলো। নবীজি (সা.) তখন নিজের গায়ের কাপড় সরিয়ে দিলেন, যেন বৃষ্টির পানি তাঁর শরীরে লাগে।

আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আপনি এমন করলেন কেন?’ তিনি বললেন, ‘কারণ এটি তাঁর প্রতিপালকের কাছ থেকে সদ্য আগত।’ (সহিহ মুসলিম: ৮৯৮)

আল্লাহর শাস্তির ভয়

মেঘ দেখা দিলে নবীজি (সা.) কখনো কখনো চিন্তিত হয়ে পড়তেন। আয়েশা (রা.) বলেন, আকাশে মেঘ বা ঝড়ের আলামত দেখা দিলে রাসুল (সা.) অস্থিরভাবে এদিক-ওদিক চলাফেরা করতেন। কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, পূর্ববর্তী অনেক জাতির ওপর মেঘের মাধ্যমে আজাব নেমে এসেছিল। তাই তিনি আল্লাহর ভয়ে উদ্বিগ্ন থাকতেন। এরপর বৃষ্টি শুরু হলে তাঁর চেহারায় স্বস্তি ফুটে উঠত। (সহিহ বুখারি: ৩২০৬)

আমরা মেঘ-বৃষ্টিকে কেবল আনন্দের বিষয় ভাবি, কিন্তু একজন মুমিনের জন্য আল্লাহর রহমতের পাশাপাশি তাঁর শাস্তির আশঙ্কাও মনে রাখা উচিত।

বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল

হওয়ার বিশেষ সম্ভাবনা রয়েছে। হাদিসে এসেছে, দুই সময়ের দোয়া সাধারণত ফেরত দেওয়া হয় না—আজান ও বৃষ্টির সময়ের দোয়া। এ সময় তাই বেশি বেশি দোয়া, ইস্তিগফার ও জিকির করা উত্তম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST