নিহত আলমগীর (৫৫) চাঁচড়া বড় মাদ্রাসা এলাকার মৃত রজব আলী দরবেশের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। বর্তমানে ঝুমঝুমপুর শ্মশানের পাশের একটি বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভাটপাড়া প্রাইম ইটভাটা রোডে আলমগীরকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পথচারী গোলাম রাব্বি তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীরা ব্যাটারি চালিত রিকশা ভাড়া করে আলমগীরকে ওই এলাকায় নিয়ে যায়। পরে ভারী কোনো বস্তু দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে রিকশাটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে রাখা হয়েছে। আসামিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’