1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
রমজান মাস পেয়েও যারা হতভাগা - Pundro TV
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন



রমজান মাস পেয়েও যারা হতভাগা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

আরবি বর্ষপঞ্জিকার নবম মাস মাহে রমজান হলো ইবাদতের শ্রেষ্ঠ মৌসুম। এটি আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং মহান আল্লাহর অফুরন্ত রহমত লাভের সময়। রমজানে একটি নফল ইবাদতে ফরজের সওয়াব এবং একটি ফরজে ৭০ গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়।এক মরুচারী সাহাবি নবীজি (সা.)-এর কাছে জান্নাতে যাওয়ার আমল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না, ফরজ নামাজ আদায় করবে, জাকাত দেবে এবং রমজানের রোজা পালন করবে।’ (সহিহ্ বুখারি: ১৩১৫)। অর্থাৎ, রমজানের রোজা পালন জান্নাতে যাওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত ও মাধ্যম।

নবীজি (সা.)-এর সতর্কবাণী

হাদিস শরিফে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন মসজিদের মিম্বারে আরোহণের সময় তিনবার ‘আমিন’ বলেছিলেন। এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, জিবরাইল (আ.) তিনটি বিশেষ দোয়া করেছিলেন:

  1. প্রথমত: ধ্বংস হোক সেই ব্যক্তি, যে রমজান মাস পেয়েও নিজের গুনাহ মাফ করাতে পারল না।
  2. দ্বিতীয়ত: ধ্বংস হোক সেই ব্যক্তি, যার সামনে নবীজি (সা.)-এর নাম নেওয়া হলো অথচ সে দরুদ পড়ল না।
  3. তৃতীয়ত: ধ্বংস হোক সেই ব্যক্তি, যে বৃদ্ধ বাবা-মাকে পেয়েও তাঁদের সেবা করে জান্নাত নিশ্চিত করতে পারল না। (সুনানে বায়হাকি: ১৫৭২)

    যাদের রোজা কবুল হয় না

    রোজা রাখা মানে কেবল না খেয়ে থাকা নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করেছেন যে, নির্দিষ্ট কিছু পাপ বর্জন না করলে সেই রোজা আল্লাহর দরবারে গৃহীত হয় না: ১. মিথ্যাবাদী: যারা রোজা রেখেও মিথ্যা কথা বলা ছাড়ে না। ২. পাপাচারী ও মূর্খতা প্রদর্শনকারী: যারা পাপাচার এবং সে অনুযায়ী কাজ করা কিংবা ঝগড়া-বিবাদ (মূর্খতা) ত্যাগ করে না।

    নবীজি (সা.) বলেন—‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা এবং সে অনুযায়ী কাজ করা আর মূর্খতা পরিত্যাগ করল না, আল্লাহর নিকট তার পানাহার ত্যাগের কোনো প্রয়োজন নেই।’ (সহিহ্ বুখারি: ৫৬৩১)

    রমজান হলো নিজেকে বদলে ফেলার মাস। এ মাসে আমরা যেন কেবল ক্ষুধার্ত না থাকি, বরং প্রতিটি অঙ্গের রোজা নিশ্চিত করি। মিথ্যা, গিবত এবং হারাব বর্জন করে প্রকৃত তাকওয়া অর্জনই হোক আমাদের লক্ষ্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST