দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন নাহিদ রানা। অনেক কথার ভীড়ে এই গতি তারকা জানিয়ে রেখেছিলেন, তৃতীয় দিনের পুরোটা সময় ব্যাট করতে চায় স্বাগতিকেরা। রানার এই কথা ঠিক থাকে কি না, সেটা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে দিনের শুরুতেই নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়ে।
শান্ত ফিরলেও খুব বেশি চিন্তা করতে হচ্ছে না বাংলাদেশকে। ১৩ রানে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিলেন অধিনায়ক। আজ আর মাত্র ২ রান যোগ করেই ফেরেন বাঁহাতি ব্যাটার। এরপর ক্রিজে আসেন লিটন। শান্তর বিদায়ের পর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টায় আছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার। লিড বাড়ানোর পথে ওয়ানডে মেজাজি ব্যাটিং করে যাচ্ছেন লিটন। অন্যদিকে মুশফিক ব্যাট চালাচ্ছেন অনেকটা হিসেব করে।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ২৩২ রানে। ৪৬ রানের লিড নেওয়া স্বাগতিকেরা দ্বিতীয় দিন শেষে ১৫৬ রানে এগিয়ে ছিল। আজ দিনের শুরুতেই শান্তর বিদায়ের পর লিড ২০০ রানের কোটা ছাড়িয়েছে মুশফিক এবং লিটনের ব্যাটে। হাতে থাকা ৬ উইকেট নিয়ে সিলেট টেস্টে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য ছুড়ে দেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।
লিড নিলেও দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ১৫ রানেই ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। মাত্র ৪ রান করেন এই ওপেনার। দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হকের সঙ্গে ৭৬ রান যোগ করে বিদায় নেন মাহমুদুল হাসান জয়। চলমান সিরিজের প্রথম ৩ ইনিংসে ব্যর্থতার পরিচয় দিলেও এ যাত্রায় ফিফটি (৫২) তুলে নিয়েছেন এই ব্যাটার। দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আফসোস হয়ে থেকেছেন মুমিনুল। দিনের শেষ বলে আউট হন সাবেক অধিনায়ক। ৩০ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে।