রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসডুবির ঘটনায় মা-ভাগনেসহ মারা গেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থী আহনাফ রাইয়ান। তাদের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নিহত আহনাফ রাইয়ান জাবির অর্থনীতি বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী। অপর দুজন হলেন— তার মা রেহেনা আক্তার (৫৮) ও ভাগনে মো. তাজবিদ।
তবে এ ঘটনায় বেঁচে যান তারই বড় বোন ডা. নুসরাত জাহান খান সাবা। ঈদের ছুটি শেষে তারা ঢাকায় ফিরছিলেন।আহনাফ রাইয়ান রাজবাড়ীর ভবানীপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি রাজবাড়ি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাবি ছাত্রকল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন।
রাইয়ানের মামা আওয়াল আনোয়ার জানান, ঈদের ছুটি শেষে আমার বোন রেহেনা আক্তার, ভাগনে রাইয়ান, ভাগনি ডা. সাবা তার সন্তান নিয়ে ঢাকার বাসায় যাচ্ছিল। সাবা বাস থেকে থেকে বের হতে পারলেও আর কেউ বের হতে পারেনি।
এ বিষয়ে রাজবাড়ী ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকে আহনাফ রাইয়ান অনেক মেধাবী। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াকালীন তিনি বিতর্ক করে। বিশ্ববিদ্যালয়েও ভালো বিতর্ক করতেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং অর্গানাইজেশনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫০ যাত্রী নিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। মুহূর্তে বাসটি পানিতে তলিয়ে যায়।