1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার্থীদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা - Pundro TV
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন



বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার্থীদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬

বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার্থীদের জন্য কঠোর নির্দেশনাবলি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। রবিবার পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একগুচ্ছ নির্দেশনা জানানো হয়।

পরীক্ষার হলে সব ধরনের জালিয়াতি রোধ করতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবার তল্লাশি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় আরো কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫০তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ এপ্রিল শুরু হবে।

এই পর্বের পরীক্ষাগুলো চলবে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর কারিগরি ও পেশাগত বা পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে ২৭ এপ্রিল, যা শেষ হবে ৭ মে। নির্ধারিত এই সূচি অনুযায়ী ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উত্তীর্ণ ১২ হাজার ৩৮৫ পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিষিদ্ধ সামগ্রী : প্রকাশিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা হলে সব ধরনের ইলেকট্রনিক যোগাযোগযন্ত্র, মুঠোফোন, ডিজিটাল বা অ্যানালগ ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, বই-পুস্তক ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ছাড়া চাবি, মানিব্যাগ, গয়না, ব্রেসলেট এবং ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডসদৃশ কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা কার্ডও সঙ্গে রাখা যাবে না।

পিএসসি জানিয়েছে, এসব নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এমনকি কারও কাছে এসব পাওয়া গেলে তার প্রার্থিতা বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরীক্ষার দিন কেন্দ্রের প্রবেশপথে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে নিবিড়ভাবে তল্লাশি করা হবে। মুঠোফোন বা কোনো ধরনের ডিভাইস শনাক্ত করতে এ বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ইতিমধ্যে পরীক্ষার্থীদের নিবন্ধিত মুঠোফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো শুরু করেছে পিএসসি।

পরীক্ষায় হাইটেক জালিয়াতি ঠেকাতে এবার পরীক্ষার্থীদের উভয় কান উন্মুক্ত রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অর্থাৎ পরীক্ষার সময় কানের ওপর কোনো ধরনের আবরণ রাখা যাবে না। যদি কোনো পরীক্ষার্থীর চিকিৎসার কারণে শ্রবণ সহায়িকা (হিয়ারিং এইড) ব্যবহারের আবশ্যকতা থাকে, তবে তাকে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের লিখিত অনুমোদন নিতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST