1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
তারেকের নেতৃত্বে গণতন্ত্রের যাত্রায় বাংলাদেশ - Pundro TV
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন



তারেকের নেতৃত্বে গণতন্ত্রের যাত্রায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশের ১৭তম (ব্যক্তি হিসেবে ১১তম) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নেতৃত্বে দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরল বিএনপি। এবারই দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সাদা জামা ও কোট-প্যান্ট পরিহিত তারেক রহমানকে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী এবং প্রাণবন্ত দেখাচ্ছিল। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন এবং কণ্টকাকীর্ণ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে তার নেতৃত্বে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হলো। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভা নবীন-প্রবীণের মিশেলে গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সবাই গতকাল শপথ গ্রহণ করেছেন। এই মন্ত্রিসভায় একদিকে কিছু অভিজ্ঞ, প্রবীণ এবং তরুণ নেতা স্থান পেলেও বাদ পড়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খানের মতো অভিজ্ঞরা।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করায় মন্ত্রিসভার বড় চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীসহ ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভার আরও চমক হিসেবে রয়েছেন ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী, যারা একেবারেই নতুন। এ ছাড়া পূর্ণমন্ত্রীর মধ্যে ১৬ জনই নতুন।

সংসদ কমপ্লেক্সের জমকালো দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীনসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক; অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সিইসি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, সিনিয়র সাংবাদিক এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাদের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক স্থানটি প্রায় ১ হাজার ২০০ আমন্ত্রিত অতিথিতে উপচে পড়েছিল। তাদের অনেকেই সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারেক রহমান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল ৩টা ৫৮ মিনিটে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন। এ সময় তাকে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এর কয়েক মিনিট পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথমে তারেক রহমান জাতীয় সংবিধান এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সুরক্ষা এবং রক্ষার শপথ গ্রহণ করেন।

linkedin sharing button৭তম (ব্যক্তি হিসেবে ১১তম) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নেতৃত্বে দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরল বিএনপি। এবারই দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সাদা জামা ও কোট-প্যান্ট পরিহিত তারেক রহমানকে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী এবং প্রাণবন্ত দেখাচ্ছিল। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন এবং কণ্টকাকীর্ণ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে তার নেতৃত্বে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হলো। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভা নবীন-প্রবীণের মিশেলে গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সবাই গতকাল শপথ গ্রহণ করেছেন। এই মন্ত্রিসভায় একদিকে কিছু অভিজ্ঞ, প্রবীণ এবং তরুণ নেতা স্থান পেলেও বাদ পড়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খানের মতো অভিজ্ঞরা।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করায় মন্ত্রিসভার বড় চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীসহ ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভার আরও চমক হিসেবে রয়েছেন ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী, যারা একেবারেই নতুন। এ ছাড়া পূর্ণমন্ত্রীর মধ্যে ১৬ জনই নতুন।

সংসদ কমপ্লেক্সের জমকালো দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীনসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক; অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সিইসি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, সিনিয়র সাংবাদিক এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাদের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক স্থানটি প্রায় ১ হাজার ২০০ আমন্ত্রিত অতিথিতে উপচে পড়েছিল। তাদের অনেকেই সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারেক রহমান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল ৩টা ৫৮ মিনিটে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন। এ সময় তাকে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এর কয়েক মিনিট পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথমে তারেক রহমান জাতীয় সংবিধান এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সুরক্ষা এবং রক্ষার শপথ গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৯৭ আসনের ফল গেজেট আকারে ঘোষণা করা হয়েছে। তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ৬৮টি। বাকি আসনগুলোতে বিভিন্ন জোট, দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জন কখনো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি।

মন্ত্রিসভায় পুরোনো যারা: বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় পুরোনো মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, নিতাই রায় চৌধুরী, আসাদুল হাবিব দুলু এবং নির্বাহী কমিটির সম্পাদক আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তারা সবাই তারেক রহমানের মা মরহুমা খালেদা

জিয়ার আগের সরকারে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ২০০১ সালে প্রথমবারের মতো ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছরে খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০০১ সালে চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই বছরে খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। এবার মন্ত্রী হওয়ার আগে সালাহউদ্দিন আহমদ ২০০১ সালে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে তিনি মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন একই দপ্তরে। কক্সবাজার-১ আসন থেকে ২০০১ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এবার পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া সিরাজগঞ্জ থেকে নির্বাচিত তিনবারের সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে সিরাজগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন।

স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবীক্রম সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি ভোলা-৩ আসন থেকে এ পর্যন্ত ৭ বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি সরকারে পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাটমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ কুমিল্লার রাজনীতির ইতিহাসে ষষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে এরশাদ ও খালেদা জিয়ার সরকারে প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালের ২ মে থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে তিনি বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০২ থেকে এক বছর পুনরায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নিতাই রায় চৌধুরী ১৯৮৮ সালে মাগুরা-২ আসন থেকে জাতীয় পার্টির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দায়িত্ব পালন করেন মন্ত্রীর মর্যাদায় মাগুরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে। এরপর তিনি ১৯৯০ সালের ২ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং এরপর থেকে ওই বছরের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকার পতনের আগ পর্যন্ত যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চাঁদপুর-১ আসন থেকে মোট তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবার তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায়ও জায়গা পেয়েছেন। খালেদা জিয়া সরকারের সময় ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময়ে তিনি পরীক্ষার হলে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী ব্যাপক অভিযান শুরু করেন। এতে সফল হলে আ

চনায় আসেন তিনি। আসাদুল হাবিব দুলু যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী এবং লালমনিরহাট সদরের প্রাক্তন সংসদ সদস্য। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপমন্ত্রী ছিলেন।

মন্ত্রিসভার ৪১ জনই নতুন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের ৪১ জন কখনো কোনো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেননি। বাকি ৯ জনের বিভিন্ন সংসদে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গতকাল ২৫ জন মন্ত্রী, ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর শপথ নিয়েছেন। ২৫ মন্ত্রীর মধ্যে ১৬ জনই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এর আগে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী কিংবা সংসদ সদস্যের দায়িত্বে ছিলেন না। এ তালিকায় আছেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের (সুমন), দীপেন দেওয়ান, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।

এ ছাড়া প্রতিন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া ২৪ জনের কেউ-ই অতীতে মন্ত্রিপরিষদে দায়িত্ব পালন করেননি। এবার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন জামালপুর থেকে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, যশোর থেকে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কিশোরগঞ্জ থেকে মো. শরীফুল আলম, ফরিদপুর থেকে শামা ওবায়েদ ইসলাম, টাঙ্গাইল থেকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, নেত্রকোনা থেকে কায়সার কামাল, পঞ্চগড় থেকে ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঢাকা থেকে মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), চট্টগ্রাম থেকে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ঢাকা থেকে হাবিবুর রশিদ, বরিশাল থেকে মো. রাজীব আহসান, জয়পুরহাট থেকে মো. আব্দুল বারী, বগুড়া থেকে মীর শাহে আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি), ঢাকা থেকে ইশরাক হোসেন, নাটোর থেকে ফারজানা শারমিন (পুতুল), বাগেরহাট থেকে শেখ ফরিদুল ইসলাম, পটুয়াখালী থেকে মো. নুরুল হক নুর, ময়মনসিংহ থেকে ইয়াসের খান চৌধুরী ও এম ইকবাল হোসাইন, সিরাজগঞ্জ থেকে এম এ মুহিত, পিরোজপুর থেকে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ঢাকা থেকে ববি হাজ্জাজ ও রাজবাড়ী থেকে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই সাবেক ছাত্রনেতা।

এদিকে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের এই যাত্রাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতারা। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক ডেপুটি মেয়র কাজী আবুল বাশারের মতো সিনিয়র নেতারা এই নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, নতুন সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও তারেক রহমানের আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তারুণ্যনির্ভর নেতৃত্ব সেই চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে সহায়ক হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST