বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা ও আশেপাশের মার্কেটসমূহের প্রবেশদ্বারে প্রকাশ্যে চলছে বণ্যপ্রাণী হাতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ।
সরোজমিনে, শহরের সাতমাথায় বীরশ্রেষ্ঠ স্কয়ারে হকাররা অভিযোগ করে, প্রতিদিন এই একটি হাতি ও তার মাহুত বা আরোহী প্রতি দোকান থেকে কমপক্ষে দশ টাকা করে জোর করে টাকা তোলে। দাবূকৃত টাকা না দিলে হাতি দেখিয়ে দোকানের ক্রেতা, পথচারী ও ভ্রাম্যমান ক্রেতাদের হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখায়। সাধারণ পথচারী ও সাতমাথা মোড়ে বিভিন্ন দোকানীদের জিজ্ঞেস করলেও এর সত্যতা পাওয়া যায়৷ সাতমাথায় ভ্রাম্যমান হকার হেডফোন বিক্রেতা নুরূ বলে – ” প্রতিদিন এই হাতি হামাকরেত থেকে ট্যাকা লেয়, না দিলে জিনিসপত্র লষ্ট করে, সবচেয়ে বড় কথা হাতির শূর দেখে অনেকে আৎকেও ওঠে। কি একটা মসিবত কন তো ভাই। ”
ভুক্তভোগী মানুষ প্রশাসনের ইন্ধন রয়েছে বলে মনে করছে এছাড়াও এি উপদ্রব নিরসনে ট্রাফিক কিংবা অন্য কোন মহলের ভূমিকা না থাকাকে সন্দেহের চোখে দেখছেন৷