ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এরমধ্যে বিএনপি থেকে ৭১ জনের অধিক, যারা প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া ৬ আসন থেকে জয়লাভ করেন।
ঢাকা-১ খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৬ ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ হামিদুর রহমান হামিদ, ঢাকা-৯ হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা-১৩ ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৮ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।
গাইবান্ধা-৪ মোহাম্মদ ফারুক আলম সরকার, জয়পুরহাট-২ সাবেক সচিব আব্দুল বারী, নওগাঁ-১ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৩ আসনে ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ একরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-৬ আসনে শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম।
রাজশাহী-৫ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আইনুল হক, পাবনা-৫ আসনে মোহাম্মদ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঝিনাইদহ-১ মো. আসাদুজ্জামান, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম।
ভোলা-৪ আসনে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন, বরিশাল-৪ আসনে মোহাম্মদ রাজিব আহসান, পিরোজপুর-২ আসনে আহমেদ সোহেল মনজুর, পিরোজপুর-৩ মো. রুহুল আমিন দুলাল, টাঙ্গাইল-৪ আসনে মোহাম্মদ লুৎফর রহমান মতিন, টাঙ্গাইল-৫ আসনে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৬ আসনে রবিউল আউয়াল লাভলু, টাঙ্গাইল-৮ আসনে আহমেদ আযম খান, ময়মনসিংহ-৮ আসনে লুতফুল্লাহেল মাজেদ, ময়মনসিংহ-৯ আসনে ইয়াসের খান চৌধুরী।
কিশোরগঞ্জ-২ মো. জালাল উদ্দিন, মুন্সীগঞ্জ-১ শেখ মো. আবদুল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ-২ আব্দুস সালাম আজাদ, গাজীপুর-১ মো. মজিবুর রহমান, গাজীপুর-২ এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
নারায়ণগঞ্জ-১ মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দীপু, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ মো. আজহারুল ইসলাম মান্নান।
ফরিদপুর-৩ নায়াব ইউসূফ আহমেদ, ফরিদপুর-৪ শহীদুল ইসলাম বাবুল, গোপালগঞ্জ-১ মো. সেলিমুজ্জামান মোল্লা, গোপালগঞ্জ-২ ডা. কে এম বাবর আলী, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম জিলানী, শরীয়তপুর-১ সাইদ আহমেদ আসলাম, শরীয়তপুর-৩ মিয়া নুরদ্দিন আহাম্মেদ অপু, সুনামগঞ্জ-১ কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন মিলন, সিলেট-২ তাহসিনা রুশদীর, সিলেট-৩ মোহাম্মদ আবদুল মালিক, সিলেট-৬ এমরান আহমেদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার-২ সওকত হোসেন সকু, হবিগঞ্জ-২ আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন, হবিগঞ্জ-৪ এস এম ফয়সাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এস এ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ মো. আব্দুল মান্নান।
দিনাজপুর-৬ ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পঞ্চগড়-১ মুহাম্মদ নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ, কুমিল্লা-৫ মো. জসিম উদ্দিন, লক্ষীপুর-১ শাহদাত হোসেন সেলিম, নোয়াখালী-৫ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, ফেনী-১ রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-৩ আব্দুল আওয়াল মিন্টু, চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ এবং চট্রগ্রাম-১০ সাঈদ আল নোমান, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম, হবিগঞ্জ-১ রেজা কিবরিয়া প্রমুখ।
ফরিদপুর-২ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর নতুন যারা সংসদে যাবেন, তারা সবাই সবার জায়গা থেকে ভালো ভূমিকা রাখবেন আশা করি।
রাজনৈতিক বই
তিনি আরও বলেন, নতুন সদস্যরা প্রত্যেকে একটা ব্যাকগাউন্ড থেকে এসেছে, সবার নিজ-নিজ সেক্টরের কাজের যোগ্যতা ও পারদর্শিতা আছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে বিনির্মাণে কাজ করবে।
লক্ষীপুর-১ আসন থেকে প্রথমবারের মতো ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন শাহদাত হোসেন সেলিম। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর পর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনগণ উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোটাররা আমাকে জয়ী করেছেন। আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আশা করছি, সংসদে গিয়ে দেশের মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারব। আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারবো।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়নকারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ইসলামী আন্দোলনে বরগুনা-১ মাহমুদুল হোসেন ওলিউল্লাহ।
জাতীয় নগতান্ত্রিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ঢাকা-১১ নাহিদ ইসলাম, নোয়াখালী-৬ আবদুল হান্নান মাসউদ, কুমিল্লা-৪ হাসনাত আবদুল্লাহ, রংপুর-৪ আখতার হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আব্দুল্লাহ আল আমিন, কুড়িগ্রাম-২ ড. আতিক মুজাহিদ (এনসিপি)।
নতুনদের এই বড় উপস্থিতি দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয় প্রত্যাশা অনুযায়ী তারা কতটা কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা রাখতে পারেন।