1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর ভোটের হার ও পরিস্থিতি জানাবে নির্বাচন কমিশন - Pundro TV
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন



প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর ভোটের হার ও পরিস্থিতি জানাবে নির্বাচন কমিশন

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও দেশব্যাপী গণভোট উপলক্ষে এক বিশেষ তদারকি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণ চলাকালে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর মাঠ পর্যায়ের চিত্র এবং জনমতের প্রতিফলন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবে কমিশন সচিবালয়। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিশেষ পরিপত্রের মাধ্যমে এই নতুন নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের উপস্থিতির হার, নির্বাচনি পরিবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তাৎক্ষণিক আপডেট নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণের দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে এবং প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত তা বিরতিহীনভাবে অব্যাহত থাকবে। প্রতিটি নির্বাচনি এলাকার রিটার্নিং অফিসাররা নির্ধারিত সময় পরপর ইসি সচিবালয়ে প্রতিবেদন পাঠাবেন। এই প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটের গড় হার এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র ফুটে উঠবে। ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বিবরণীর ভিত্তিতে ‘প্রাথমিক ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র’ থেকে বেসরকারি ফলাফল প্রকাশের কাজ পরিচালিত হবে।

তথ্য আদান-প্রদান এবং ফলাফল সংগ্রহের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে ইতিমধ্যে কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং ফলাফল সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের নাম, পদবি এবং যোগাযোগের জন্য বিশেষ ইন্টারনাল অ্যাকাউন্ট ও টেলিফোন নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে কোন কর্মকর্তা তথ্য প্রেরণ করবেন, তা ভোটগ্রহণের দিনের আগেই নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্ধারিত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনাল সাইটগুলো সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, তা আগেভাগেই যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও দেশব্যাপী গণভোট উপলক্ষে এক বিশেষ তদারকি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণ চলাকালে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর মাঠ পর্যায়ের চিত্র এবং জনমতের প্রতিফলন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবে কমিশন সচিবালয়। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিশেষ পরিপত্রের মাধ্যমে এই নতুন নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের উপস্থিতির হার, নির্বাচনি পরিবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তাৎক্ষণিক আপডেট নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণের দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে এবং প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত তা বিরতিহীনভাবে অব্যাহত থাকবে। প্রতিটি নির্বাচনি এলাকার রিটার্নিং অফিসাররা নির্ধারিত সময় পরপর ইসি সচিবালয়ে প্রতিবেদন পাঠাবেন। এই প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটের গড় হার এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র ফুটে উঠবে। ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বিবরণীর ভিত্তিতে ‘প্রাথমিক ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র’ থেকে বেসরকারি ফলাফল প্রকাশের কাজ পরিচালিত হবে।

তথ্য আদান-প্রদান এবং ফলাফল সংগ্রহের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে ইতিমধ্যে কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং ফলাফল সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের নাম, পদবি এবং যোগাযোগের জন্য বিশেষ ইন্টারনাল অ্যাকাউন্ট ও টেলিফোন নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে কোন কর্মকর্তা তথ্য প্রেরণ করবেন, তা ভোটগ্রহণের দিনের আগেই নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্ধারিত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনাল সাইটগুলো সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, তা আগেভাগেই যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে।

ফলাফল প্রেরণের ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ‘বার্তা প্রেরণ শিট’ ব্যবহারের নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে তথ্য পাঠাতে কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা বা বিলম্ব দেখা দিলে ব্যাকআপ হিসেবে ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বার্তা শিটে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষর থাকতে হবে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে বা জরুরি প্রয়োজনে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা অন্য কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার স্বাক্ষরে আংশিক ফলাফল গ্রহণ করা হবে, যদিও চূড়ান্ত বার্তার ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষর অনিবার্য।

সার্বিক ফলাফল ব্যবস্থাপনার জন্য এবার আধুনিক ‘ইএমএস সফটওয়্যার’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি সংসদীয় আসন ও গণভোটের ফলাফল যথাযথভাবে এন্ট্রি দেওয়া হবে। এই মডিউলটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবলকে ইতিমধ্যে বিশেষ কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে কমিশন নিশ্চিত করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই সমন্বিত ব্যবহারের ফলে এবারের নির্বাচনের তথ্য ও ফলাফল আগের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভুল এবং দ্রুততম সময়ে জনসমক্ষে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST