1. pundrotvnews@gmail.com : admin :
৩০০ বছর ধরে জনশূন্য গ্রাম, একরাতেই গায়েব হন বাসিন্দারা! ভিডিও - Pundro TV
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

৩০০ বছর ধরে জনশূন্য গ্রাম, একরাতেই গায়েব হন বাসিন্দারা! ভিডিও

পুন্ড্র.টিভি ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০২২
dvdfgfd

গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ি। তবে কোনওটাতেই লোকজনের দেখা নেই। প্রায় ৩০০ বছর ধরে এভাবেই দাঁড়িয়ে কুলধারা নামের এই গ্রামটি! লোকমুখে প্রচলিত, একরাতেই নাকি জনশূন্য হয়ে গিয়েছিল রাজস্থানের এই গ্রাম।

dvdfgfd

অনেকের দাবি, জনমানবহীন কুলধারায় ঘুরে বেড়ায় অতৃপ্ত আত্মা! সেখানে বসতি গড়ার চেষ্টা করলেও নানা ভৌতিক কাণ্ডকারখানার মুখে পড়তে হয়েছে।

জয়সলমের থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার পশ্চিমে এগোলেই কুলধারা। এককালে তা পালীবাল ব্রাহ্মণদের বসতি বলে পরিচিত ছিল। তবে আজ আর তাদের উত্তরসূরিদের দেখা পাওয়া যায় না।

কুলধারায় দেখা মেলে না কোনও মানুষের। তবে জায়গাটি যাতে বেহাত হয়ে না যায়, সে বন্দোবস্তও করেছে সরকার। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিয়োলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই)-এর অধীনে রয়েছে এটি। টিকিট কেটে পর্যটকদের ঢোকার ব্যবস্থা করেছে এএসআই।

অথচ এককালে জমজমাট ছিল কুলধারা। কেন এ হাল হল গ্রামটির? অনেকের মতে, রাজরাজড়ার যুগে জয়সলমেরের প্রধানমন্ত্রী সালিম সিংহের কুনজর পড়েছিল গ্রামপ্রধানের মেয়ের দিকে। জোর করে তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন সালিম।

জনশ্রুতি, গ্রামপ্রধানের মেয়েকে তার হাতে তুলে না দিলে ফল ভালো হবে না বলে সতর্কও করেন তিনি। এর অন্যথা হলে গ্রামবাসীদের খাজনা বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দিয়েছিলেন।

বিপদ বুঝে তড়িঘড়ি ৮৫টি গ্রামের পরিষদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পালীবাল ব্রাহ্মণেরা। সেখানেই নাকি সিদ্ধান্ত হয়, গ্রামপ্রধানের মেয়েকে সালিমের থেকে বাঁচাতে রাতারাতি গ্রাম ছেড়ে পালাবেন বাসিন্দারা। তা-ই করেছিল কুলধারা। একরাতেই গায়েব হয়ে গিয়েছিলেন তারা, ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল গ্রাম।

অন্য এক দলের মত, গ্রামবাসীদের থেকে এত চড়া খাজনা আদায় করতেন সালিম যে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন তারা। তবে সালিমের সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও করতে পারেননি। তাই উপায় না দেখে কুলধারা ছেড়ে অন্য জায়গায় বসতি গড়েন গ্রামবাসীরা।

স্থানীয়দের দাবি, আজও গ্রামপ্রধানের মেয়ের অতৃপ্ত আত্মা ঘুরে বেড়ায় কুলধারায়। যদিও এ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

ইতিহাসে কুলধারার উল্লেখ রয়েছে। ত্রয়োদশ শতকে রাজস্থানের পালী শহর থেকে জয়সলমের এলাকায় কুলধারা গ্রামে বসতি গড়েন সেখানকার বাসিন্দারা। ১৮১৫ সালে তা জনশূন্য হয়ে যায়। ১৮৯৯ সালে লক্ষ্মী চন্দের লেখা ‘তারিখ-ই-জয়সলমের’ বইটিতে কুলধারার বিষয়ে নানা তথ্য পাওয়া যায়। তাতে লেখা রয়েছে, এ গ্রামে কড়হান নামে এক পালীবাল ব্রাহ্মণ প্রথম বসবাস করতে শুরু করেছিলেন। মূলত জোধপুরের পালীবাল সম্প্রদায়ের ব্রাহ্মণেরাই এ গ্রামে বসবাস করতেন। কৃষিকাজের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে আয় করতেন তারা।

কুলধারায় অন্তত ৪১০টি ঘরবাড়ির প্রায় ভগ্নপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। সেই সঙ্গে তিনটি সমাধিক্ষেত্রও পাওয়া গেছে। রয়েছে একাধিক কুয়া।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১
Developed By Bongshai IT