1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
ডিজিটাল প্রতারণা নতুন কাপড়ের বিজ্ঞাপন দিয়ে ছেঁড়া কাপড় ডেলিভারি - Pundro TV
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ১১:৩৮ অপরাহ্ন



ডিজিটাল প্রতারণা নতুন কাপড়ের বিজ্ঞাপন দিয়ে ছেঁড়া কাপড় ডেলিভারি

পুন্ড্র.টিভি ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২২

ব্যক্তিগত কর্মব্যস্ততার কারণে অনেকেই এখন আর সরাসরি মার্কেটে গিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে চান না। বাজার বা মার্কেটে না গিয়ে ঘরে বসে এক ক্লিকেই পছন্দসই পণ্য হাতে আসায় মানুষ অধিক হারে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে ডিজিটাল বা অনলাইন কেনাকাটায়। তাছাড়া অনলাইনে ডিজিটাল হাট যেখানে যখন খুশি অর্ডার করলেই বাসায় পৌঁছে যাবে পণ্য। ।

গত বছরে ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাবের দেয়া এক তথ্য বলছে, বর্তমানে অনলাইন সেবা চালু রেখেছে সাড়ে ৭০০-এর বেশি অনলাইন শপ। আর ফেসবুকে পেজ খুলে পণ্য বিক্রি করছে আরও ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, প্রতি নিয়তই আমরা এ ধরনের প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে থাকি।  আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে এই ডিজিটাল প্রতারক চক্র। এ রকম প্রায় শতাধিক প্রতারক চক্রের সন্ধান পেয়েছে মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ।ই-কমার্স প্রতারণা চক্রের দলনেতাসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। চক্রটি ৫-৬ বছর ধরে অনলাইনে ১৭টি পেজ খুলে নতুন শাড়ি, থ্রি পিসের বিজ্ঞাপন দিয়ে কুরিয়ারের মাধ্যমে ছেঁড়া, অযোগ্য ও নষ্ট পুরনো কাপড় ডেলিভারি দিতো। সারা দেশে বিভিন্ন গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী অর্ডার নিয়ে এসএ পরিবহনের লেবারদের মাধ্যমে প্রতিটি বুকিংয়ে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে বুকিং করতো। অনলাইনে মানুষকে কমদামে এসব পণ্যের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে তারা মাসে প্রায় ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা আয় করতো। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- মো. বাপ্পি হাসান, মো. আরিফুল ওরফে হারিসুল, মো. সোহাগ হোসেন, মো. বিপ্লব শেখ ও নূর মোহাম্মদ। গতকাল ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ডিবি লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রাজীব আল মাসুদ।    তিনি আরও বলেন, দুইটি ডিভাইস সহ তাদের হেফাজতে থাকা কালো রঙের একটি ল্যাপটপ এর মাধ্যমে তারা পেইজগুলোতে সচল থাকতো। তাদের বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা

ই-কমার্সের নামে ভুঁইফোঁড় কিছু পেজ যেগুলোকে নিজস্ব সাইবার মনিটরিং সেলের মাধ্যমে মনিটর করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে এবং কোনো সাইটের কাজকর্মে তাদের আচরণ এবং গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে ডার্ক ওয়েভের মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন কার্যক্রম মনিটর করা হয়। এক্ষেত্রে পুলিশের একার পক্ষে এ ধরনের প্রতারণা বন্ধ করা সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। তিনি যে সাইটটিতে অর্ডার করছেন সেটি অথেনটিক কিনা এ বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে পণ্য ক্রয় করতে হবে। অর্থের পরিমাণ খুব অল্প হওয়ায় অনেকেই এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায় না। এ ধরনের প্রতারণার শিকার হলে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি জানাতে হবে। এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST