1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
৩ দাবি নিয়ে গণভবনের সামনে সোহেল তাজ - Pundro TV
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:০০ অপরাহ্ন



৩ দাবি নিয়ে গণভবনের সামনে সোহেল তাজ

পুন্ড্র.টিভি ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২

তিন দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন অভিমুখে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতা তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান সোহেল তাজ।

আওয়ামী লীগের সাবেক এ সংসদ সদস্য গণভবনের সামনে প্ল্যাকার্ডসহ কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। এ কর্মসূচিতে সোহেল তাজের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন বিভিন্ন বয়সের কয়েকশ নারী ও পুরুষ।

তাঁদের বেশির ভাগই এসেছেন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে। কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে এসে হাজির হন সোহেল তাজের বোন মাহজাবীন আহমেদ ও আইনজীবী তুরিন আফরোজ। বিকেল সোয়া চারটার দিকে সেখানে এসে পৌঁছান সোহেল তাজ (তানজিম আহমদ)। এরপরই অপেক্ষমাণ নেতা-কর্মীদের নিয়ে গণভবনের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন তিনি। তখন তাঁর সঙ্গে দেড় শতাধিক নেতা-কর্মী ছিলেন।

পদযাত্রার সামনে ছিলেন সোহেল তাজ ও তাঁর বোন মাহজাবীন। সোহেল তাজের হাতে একটি প্ল্যাকার্ড ছিল। তার সঙ্গে যোগ দেওয়া নারী-পুরুষ তিন দফা দাবি উল্লে­খ করে স্লোগান দেন।  ১০ এপ্রিলকে ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’, ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবসকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন এবং জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের সব বেসামরিক ও সামরিক সংগঠক, শহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাম, অবদান ও জীবনীসহ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস যথাযথ মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তকের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তি এবং তা চর্চার দাবি জানান সোহেল তাজ।

সোহেল তাজের পদযাত্রার সামনে পুলিশি পাহারা ছিল। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের ফুটপাত হয়ে আড়ংয়ের উল্টো দিক দিয়ে আসাদ গেট পেরিয়ে গণভবনের মূল ফটক পর্যন্ত যায় এই পদযাত্রা। যাত্রা শুরুর প্রায় ৩০ মিনিট পর পদযাত্রা গণভবনের গেটে এসে পৌঁছায়।

সোহেল তাজকে স্বাগত জানাতে গেটের বাইরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া। তিনি সোহেল তাজের সঙ্গে কথা বলেন। পরে সোহেল তাজ ও মাহজাবীন আহমেদকে গণভবনের মূল ফটকের অভ্যর্থনাকক্ষে নিয়ে যান বিপ্লব বড়ুয়া। এ সময় সোহেল তাজের হাতে তিনটি দাবির বিষয় উল্লেখসহ দুই পাতার একটি স্মারকলিপি ছিল।

দুই পৃষ্ঠার স্মারকলিপিতে সোহেল তাজ ১০ এপ্রিলকে প্রজাতন্ত্র দিবস ঘোষণার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেন। ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করে তা রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন কেন প্রয়োজন তা-ও তুলে ধরেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের অজ্ঞতা ও অনাগ্রহের বিষয়টি তুলে ধরেন তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। এজন্য এ ইতিহাস সবস্তরের পাঠ্যপুস্তকের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়মিত চর্চার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তার স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ূয়া। স্মারকলিপির শেষে তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ লিখে নিজেকে ‘প্রহরী ৭১’ দাবি করেন।

 

https://www.facebook.com/watch?v=765526921497293

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST