1. pundrotvnews@gmail.com : admin :
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্বে ম্যাক্রোঁর জয়। ভিডিও - Pundro TV
রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ০১:১২ পূর্বাহ্ন

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্বে ম্যাক্রোঁর জয়। ভিডিও

পুন্ড্র.টিভি ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২
dvdfgfd

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্বে ক্ষমতাসীন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জয় পেয়েছেন, দ্বিতীয় পর্বে তার সঙ্গে লড়বেন চরম ডানপন্থি জাতীয়তাবাদী প্রতিদ্বন্দ্বী মারিন লু পেন।

dvdfgfd

রোববার অনুষ্ঠিত প্রথম পর্বের নির্বাচনে এ দুই প্রার্থী ২৪ এপ্রিলের রানঅফ ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বীতার জন্য মনোনীত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ফ্রান্সের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন তা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বেই চূড়ান্ত হবে ।

প্রথম পর্বে ভালোভাবে উৎরে গেলেও দ্বিতীয় পর্বের চূড়ান্ত ভোটে ম্যাক্রোঁ কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়বেন বলে মতামত জরিপগুলোতে আভাস পাওয়া গেছে, জানিয়েছে বিবিসি।

“কোনো ভুল করা যাবে না, এখনও কিছুই নির্ধারিত হয়নি,” উল্লসিত সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন ম্যাক্রোঁ।

অপরদিকে লু পেন ম্যাক্রোঁ বিরোধী প্রত্যেক ভোটারকে তার পক্ষে যোগ দেওয়ার ও ‘ফ্রান্সকে স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

৯৭ শতাংশ ভোট গণনার পর ম্যাক্রোঁ দেখা গেছে, ম্যাক্রোঁ ২৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ, লু পেন ২৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং অপর প্রতিদ্বন্দ্বী জা লুক মিনশঁ ২১ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণার পর ম্যাক্রোঁ তাঁর উল্লসিত সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ‘কোনো ভুল করবেন না, এখনও কিছুই নিশ্চিত হয়নি।’

তবে, ম্যাক্রোঁ প্রথম রাউন্ডে জয় পেলেও জনমত জরিপ বলছে—রান-অফ বা চূড়ান্ত ধাপের নির্বাচনে পেনের সঙ্গে তাঁর আরও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে।

এদিকে, প্রথম রাউন্ডের পর লা পেন তাঁকে ভোট দিতে ম্যাক্রোঁর সমর্থক ছাড়া বাকি সব ভোটারকে তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়ে ‘ফ্রান্সে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার’ আহ্বান জানান।

মারিন লা পেন ২০১৭ সালে এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কাছে বিপুল ভোটে হেরেছিলেন। এরপর তিনি তাঁর দল ন্যাশনাল ফ্রন্টকে এখন ‘ন্যাশনাল র‍্যালি’ নামে নুতন করে গড়ে তুলেছেন, যদিও তাঁর দলের নীতি খুব বদলায়নি।

এবারের নির্বাচনি প্রচারে প্রথমে প্রভাব ফেলেছিল কোভিড মহামারি, পরে ইউক্রেনের যুদ্ধ।

প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ নির্বাচনি প্রচারণায় খুব কম সময় দিয়েছেন। তাঁর মনোযোগ ছিল ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে ইউরোপের প্রতিক্রিয়ার দিকে।

তবে, একটি ইস্যু এবারের নির্বাচনে বাকি সব বিষয়কে ছাড়িয়ে গেছে। তা হলো—জ্বালানি ও জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সার্বিকভাবে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি।

ফ্রান্সের ভোটারদের মধ্যে দুই বড় দলের প্রতি সচরাচর যে আনুগত্য দেখা যায়, ২০১৭ সালের নির্বাচনে তা ভেসে গিয়েছিল এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বিজয়ের মধ্য দিয়ে। ফ্রান্সের বড় দুই দল এখনও সে ক্ষতি সামলে উঠতে পারেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১
Developed By Bongshai IT