1. shahajahanbabu@gmail.com : admin :
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ: পুতিনের টেবিলে প্লান সি, - Pundro TV
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন



রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ: পুতিনের টেবিলে প্লান সি,

পুন্ড্র.টিভি ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২

 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ২১ দিন পেরিয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন এখন প্লান অ এবং প্লান ই ইতিমধ্যেই প্রয়োগ করেছেন। কাংখিত সাফল্য আসেনি। তাই তিনি এখন টেবিলে প্লান সি রেখেছেন।

পুতিনের প্লান ঈ মূলত প্লান ই’র একটা সংমিশ্রিত সংস্করন। তাঁর প্লান ঈ তে রয়েছে তীব্র এ্যাটাকের পাশাপাশি ডিপ্লোম্যাসি চালিয়ে যাওয়া। এই প্লান সি এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো- এ পর্যন্ত ইউক্রেনের যতটুকু ভূমি দখল করা গিয়েছে ততটুকু ভূমি হাতে রেখে দিয়ে যুদ্ধ বিরতিতে যাওয়া। সেই সাময়িক যুদ্ধ বিরতির সময় ইউক্রেনের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। ইউক্রেনকে বুঝিয়ে দেয়া হবে যে দেখ আমার কথা না শুনলে কেমন হয়? কুটনৈতিক ফোরামে রাশিয়ার দাবি থাকবে তিনটি।

 

একঃ ইউক্রেন ন্যাটো জোটে কখনই যোগ দিবে না। এই মর্মে অঙ্গীকার আদায়। দুইঃ পূর্ব ইউক্রেনের দুই অঞ্চল অর্থাৎ এর স্বাধীনতার স্বীকৃতি আদায়। তিনঃ ইউক্রেনকে পুরোপুরি অসামরিকিকরন করতে হবে। অর্থাৎ ইউক্রেনের কোনো সামরিক বাহিনী কিংবা প্রতিরক্ষার সরঞ্জাম থাকবে না। ইউক্রেনের পক্ষে এসব দাবি মেনে নেওয়া কঠিন। তবে তারা ন্যাটো জোটে যোগ দিবে না এই পয়েন্টে ছাড় দিতে পারে। কিন্তু কিছুতেই নিজেদের ভূখন্ড হারাতে চাইবে না এবং সেনাবাহিনী বিহীন দেশও হতে চাইবে না।

 

ইউক্রেন ন্যাটো জোটে শামিল হওয়ার অভিলাষ পরিত্যাগ করলে সে এর পরিবর্তে তৃতীয় কোনো দেশের কাছে নিরাপত্তা গ্যারান্টি চাইতে পারে। যেমন- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মানি কিংবা তুরস্ক সেই তৃতীয় দেশ হতে পারে। ইউক্রেন একটা নিরাপত্তা গ্যারান্টির চুক্তি করে জাতিসংঘের শান্তি রক্ষী বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানাতে পারে। রাশিয়া ইউক্রেনের চেয়ে বহুগুনে শক্তিশালী দেশ। সুতরায় রাশিয়া ইউক্রেনের এমন প্রস্তাব নিশ্চিত ভাবেই প্রত্যাখ্যান করবে।

 

তাহলে সমাধান কোথায়? প্রকৃতপক্ষে রাশিয়া যুদ্ধের মাধ্যমেই একটা ফয়সালা আনতে চাইবে। আর এটা ছাড়া রাশিয়ার সামনে অন্য কোনো পথও খোলা নেই। প্রেসিডেন্ট পুতিন নিজেই সে পথ বন্ধ করে দিয়েছেন।

রাশিয়া একটা সুপার পাওয়ার। ইউক্রেন থেকে শুন্য হাতে ফেরত আসা পুতিনের জন্য ভীষন অপমানের বিষয় হবে। ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে একটা ডরহ ডরহ সিচুয়েশন তৈরি করা রাশিয়ার জন্য কঠিন। সুতরায় তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন। তিনি কেবলমাত্র তখনই থামবেন যখন এক পক্ষ পুরোপুরি পরাস্ত হবে।

https://www.facebook.com/pundrotvbd/videos/1254493278413105

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২
Developed By ATOZ IT HOST