1. pundrotvnews@gmail.com : admin :
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৫ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদত্যাগ - Pundro TV
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০২:৪৫ অপরাহ্ন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৫ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদত্যাগ

পুন্ড্র.টিভি ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
dvdfgfd

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পাঁচ জন্য জ্যেষ্ঠ সহযোগী একযোগে পদত্যাগ করেছেন। কোভিড লকডাউনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টি করা নিয়ে সমালোচনা যখন তুঙ্গে, সেই মুহূর্তে একযোগে এতজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার পদত্যাগের ঘটনা ঘটল।

dvdfgfd

গতকাল বৃহস্পতিবার চারজন সিনিয়র স্টাফ পদত্যাগ করার পরে আজ শুক্রবার সর্বশেষ এ দলে যোগ দিয়েছেন নীতি উপদেষ্টা এলেনা নারোজানস্কি। এর আগে প্রথম পদত্যাগ করেন জনসনের নীতি-কৌশল প্রধান মুনিরা মির্জা। তাঁকে অনুসরণ করেন যোগাযোগ প্রধান জ্যাক ডয়েল।

লকডাউনের মধ্যে ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টি করার কারণে জনসনকে পদচ্যুত করা হবে কি না সেটি বিবেচনা করছেন কনজারভেটিভ দলের এমপিরা। এ পরিস্থিতিতে জনসন প্রধানমন্ত্রিত্ব বাঁচাতে মরিয়া লড়াই করছেন।

ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রীর পার্টি করা নিয়ে জনসনের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের মধ্যেই মতবিরোধ দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করেছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বলছেন, প্রধানমন্ত্রী ‘পরিবর্তন শুরু করেছেন’। তিনি তাঁর নেতৃত্বকে সমর্থন করছেন।

পদত্যাগ করা কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনজন লকডাউন পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা মার্টিন রেনল্ডস। পার্টির নিমন্ত্রণপত্রগুলো তিনিই বিভিন্ন জনকে পাঠিয়েছিলেন।

তবে মুনিরা মির্জার পদত্যাগের কারণ ভিন্ন। প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যা দাবির অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করেছেন তিনি। লেবার পার্টির নেতা স্যার কির স্টারমার যখন পাবলিক প্রসিকিউশনের পরিচালক ছিলেন তখন জিমি স্যাভিলের বিরুদ্ধে মামলা করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এই মিথ্যা দাবির জন্য প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেছেন।

জনসনের ১৪ বছরের মিত্র মির্জা তাঁর পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, এটি জঘন্য আচরণ। স্যাভিল সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে ‘উদ্বেগপূর্ণ’ বলেও বর্ণনা করেছেন তিনি।

এদিকে চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক প্রকাশ্যেই প্রধানমন্ত্রীর মূল বক্তব্য থেকে নিজের অবস্থান দূরে সরিয়ে রাখছেন। তিনি বলেছেন, ‘সৎ হলে, আমি এটা বলতাম না।’ জনসনের ক্ষমা চাওয়া উচিত কি না জানতে চাইলে সুনাক বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীকেই নিতে হবে।’

মুনিরা মির্জার পদত্যাগের পরপরই পদত্যাগ করেছেন জনসনের যোগাযোগের পরিচালক ডয়েল। ডয়েল স্টাফদের বলেছিলেন, ‘সাম্প্রতিক দিনগুলো আমার পারিবারিক জীবনে ভয়ানক প্রভাব ফেলেছে।’ কিন্তু তাঁর ইচ্ছে ছিল আরও দুইটা বছর ডাউনিং স্ট্রিটে থাকবেন।

ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, চিফ অব স্টাফ ড্যান রোজেনফিল্ড বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগের কথা বলেন। তবে উত্তরসূরি না পাওয়া পর্যন্ত তিনি পদে থাকবেন।

রেনল্ডস প্রধানমন্ত্রীর প্রধান ব্যক্তিগত সহকারী। পদত্যাগের পর পররাষ্ট্র দপ্তরে কোনো দায়িত্ব পাওয়ার কথা রয়েছে। নারোজানস্কি পদত্যাগ করেছেন আজ শুক্রবার। তিনি মুনিরা মির্জার প্রতি অনুগত বলে জানা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১
Developed By Bongshai IT